Swasthya Sathi-তে অনিয়ম: CAG রিপোর্টে Hospital Bill, Beneficiary ও Verification নিয়ে বড় প্রশ্ন

NEWS INDIA বাংলা
0

 স্বাস্থ্যসাথীতে বড় অনিয়মের ছবি CAG রিপোর্টে, beneficiary থেকে hospital bill—নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন

স্বাস্থ্যসাথী নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন, CAG রিপোর্টে beneficiary ও hospital claim ঘিরে একাধিক অনিয়ম

স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের CAG রিপোর্টে হাসপাতালের বিল ও beneficiary verification নিয়ে অনিয়ম


পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্যসাথী (Swasthya Sathi) প্রকল্পকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ নতুন নয়। তবে ২০২৬ সালে প্রকাশ্যে আসা Comptroller and Auditor General (CAG)-এর অডিট রিপোর্টে প্রকল্পের উপভোক্তা তালিকা, হাসপাতালের প্যাকেজ রেট, অর্থপ্রদান এবং নজরদারি ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে। যদিও নির্দিষ্ট কোনও চিকিৎসকের পরিচয় ব্যবহার করে নতুন করে স্বাস্থ্যসাথী বিল জাল করার অভিযোগের প্রমাণিত ঘটনা এখনও সামনে আসেনি, সরকারি অডিটে যে দুর্বলতাগুলি উঠে এসেছে, তাতে প্রকল্পের data verification এবং claim monitoring নিয়ে উদ্বেগের যথেষ্ট কারণ রয়েছে।

স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে পরিবারপিছু বছরে সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত cashless secondary ও tertiary healthcare-এর সুবিধা দেওয়া হয়। সরকারি ব্যবস্থায় beneficiary-এর পরিচয়, হাসপাতাল, চিকিৎসা পরিষেবা এবং চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে নথিভুক্ত করার ব্যবস্থা রয়েছে। সরকারি জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, কার্ড block হলে SMS alert, discharge-এর সময় real-time e-health record upload এবং সম্ভাব্য fraud শনাক্ত করার জন্য online trigger ও escalation mechanism-ও রাখা হয়েছে।

কিন্তু CAG-এর Performance and Compliance Audit Report-এ এই নজরদারি ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে পরোক্ষভাবে একাধিক প্রশ্ন উঠে এসেছে। ২০১৮-১৯ থেকে ২০২২-২৩ সময়কালের প্রকল্প বাস্তবায়ন পরীক্ষা করে অডিটে দেখা যায়, ২০২৩ সালের মার্চ পর্যন্ত স্বাস্থ্যসাথীতে নথিভুক্ত পরিবারের সংখ্যা রাজ্যের ration-card holding families-এর তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেশি ছিল। CAG-এর মতে, এর ফলে কিছু অযোগ্য উপভোক্তা সুবিধা পেয়ে থাকতে পারেন। পাশাপাশি ২০২১ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া Aadhaar linking প্রক্রিয়াও সম্পূর্ণ হয়নি, যা verification এবং multiple enrolment-এর ঝুঁকি বাড়িয়েছিল।

হাসপাতাল সংক্রান্ত ক্ষেত্রেও গুরুতর তথ্য উঠে এসেছে। CAG ৫০টি empanelled private hospital পরীক্ষা করে দেখেছে, তার মধ্যে ৩১টি হাসপাতালকে তাদের পরিকাঠামো, পরিষেবা এবং অনুমোদিত bed strength-এর তুলনায় বেশি grade দেওয়া হয়েছিল। এর ফলে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলি বেশি package rate পেয়েছে এবং অডিট অনুযায়ী ১৪.৪৮ কোটি টাকা excess payment হয়েছে।

এছাড়াও অডিটে দেখা যায়, ৩,০৩৮টি healthcare provider-এর প্রয়োজন থাকলেও ২.৪৩ কোটি beneficiary family-এর জন্য মাত্র ২,৬০৫টি provider empanelled ছিল। পাঁচটি insurance company-র কাছে ২০১৮ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে ৩,৯৫৫টি claim, যার মূল্য ৭.২৬ কোটি টাকা, বকেয়া ছিল বলেও CAG উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে কিছু insurance company-র কাছ থেকে চুক্তি অনুযায়ী penalty এবং refund আদায় নিয়েও সমস্যা ছিল।

তদন্তের দৃষ্টিতে এখানেই চিকিৎসকের পরিচয়, রোগীর তথ্য এবং হাসপাতালের claim-এর মধ্যে সামঞ্জস্যের প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। কোনও claim-এ রোগীর চিকিৎসা, package, চিকিৎসক এবং হাসপাতালের নথির মধ্যে অসঙ্গতি থাকলে তা audit বা medical scrutiny-র আওতায় আসা উচিত। কিন্তু নির্দিষ্ট চিকিৎসকের identity ব্যবহার করে fake claim তৈরির নতুন কোনও ঘটনা প্রমাণিত হয়েছে—এমন তথ্য ২৫ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত নির্ভরযোগ্যভাবে পাওয়া যায়নি।

অর্থাৎ, এখনই কোনও চিকিৎসক বা হাসপাতালের বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগকে প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে তুলে ধরা ঠিক হবে না। বরং CAG-এর রিপোর্টে উঠে আসা beneficiary verification, Aadhaar linking, hospital grading এবং claim monitoring-এর দুর্বলতাই বর্তমানে যাচাইযোগ্য বড় প্রশ্ন।

স্বাস্থ্যসাথীর মতো বিপুল আর্থিক পরিসরের একটি সরকারি প্রকল্পে রোগীর পরিচয় থেকে চিকিৎসার নথি এবং hospital claim পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে নির্ভুল verification গুরুত্বপূর্ণ। তাই ভবিষ্যতে কোনও নির্দিষ্ট fraud case সামনে এলে তার সঙ্গে এই systemic gaps-এর সম্পর্ক আছে কি না, সেটিই তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Check Now
Ok, Go it!