Yash শুধু স্ত্রী Radhika Pandit-কে ফলো করেন কেন? জানুন Superstar-এর Relationship Formula

NEWS INDIA বাংলা
0

শুধু স্ত্রীকেই ফলো করেন সুপারস্টার ইয়াশ! সম্পর্ক ভালো রাখার এটাই কি তাঁর ফর্মুলা?

কোটি অনুরাগী থাকলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় শুধু স্ত্রীকেই ফলো করেন ইয়াশ, জানালেন সম্পর্কের বিশেষ সমীকরণ

সুপারস্টার ইয়াশ ও স্ত্রী রাধিকা পণ্ডিতের ছবি


সোশ্যাল মিডিয়ায় সুপারস্টারদের ফলোয়িং তালিকা নিয়েও অনুরাগীদের আগ্রহের শেষ নেই। আর সেখানেই নজর কেড়েছেন দক্ষিণী তারকা ইয়াশ (Yash)। বিপুল জনপ্রিয়তা এবং কোটি কোটি অনুরাগী থাকা সত্ত্বেও, তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের ফলোয়িং তালিকায় দেখা যায় মাত্র একটি নাম। আর সেই নামটি তাঁর স্ত্রী, অভিনেত্রী রাধিকা পণ্ডিত (Radhika Pandit)-এর।


ইয়াশের এই সোশ্যাল মিডিয়া অভ্যাস নতুন করে কৌতূহল তৈরি করেছে অনুরাগীদের মধ্যে। কেন শুধুমাত্র স্ত্রীকেই ফলো করেন তিনি? এর পিছনে কি নিছক ব্যক্তিগত পছন্দ, নাকি সম্পর্কের প্রতি বিশেষ বার্তা লুকিয়ে রয়েছে? সম্প্রতি তাঁদের সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ইয়াশ নিজেই জানিয়েছেন, রাধিকা শুধু তাঁর স্ত্রী নন, তাঁর জীবনের অন্যতম সেরা বন্ধু।

ইয়াশের কথায়, জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মানুষ হিসেবে রাধিকাই তাঁর কাছে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার পান। ফলে সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ত্রীকে ফলো করাটা তাঁর কাছে কোনও আলাদা বিষয় নয়। বরং জীবনের সবচেয়ে কাছের মানুষটিকেই নিজের ফলোয়িং তালিকায় রাখা তাঁর কাছে স্বাভাবিক বলেই মনে হয়।

ইয়াশ এবং রাধিকার সম্পর্কের গল্প অবশ্য আজকের নয়। জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছনোর বহু আগেই তাঁদের পরিচয় এবং সম্পর্কের সূত্রপাত। সেই সময় ইয়াশের হাতে ছিল না আজকের মতো বিপুল খ্যাতি, অর্থ কিংবা তারকা-পরিচিতি। সেই সময় থেকেই রাধিকা তাঁর পাশে ছিলেন বলে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন ইয়াশ। পরবর্তীতে দক্ষিণী সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় তারকা হয়ে উঠলেও, সম্পর্কের সেই পুরনো সমীকরণ বদলায়নি।

বর্তমানে ইয়াশের ব্যস্ততা যথেষ্ট বেশি। একের পর এক বড় বাজেটের ছবির সঙ্গে যুক্ত তিনি। তাঁর আগামী ছবি ‘টক্সিক’ (Toxic) নিয়েও অনুরাগীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। তারকা হিসেবে কাজের চাপ যতই বাড়ুক, ব্যক্তিগত জীবনে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন ইয়াশ।

দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই জায়গাটিই বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে সবসময় বড় কোনও আয়োজন বা দামি উপহারের প্রয়োজন হয় না। বরং নিয়মিত যোগাযোগ, একে অপরের কথা মন দিয়ে শোনা এবং ব্যস্ততার মধ্যেও কিছুটা সময় একসঙ্গে কাটানো অনেক বেশি কার্যকর হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিনের সম্পর্কে মানুষের পছন্দ, চিন্তাভাবনা কিংবা জীবনযাপনে পরিবর্তন আসতেই পারে। কিন্তু সেই পরিবর্তন নিয়ে সঙ্গীর সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া থাকলে সম্পর্কের দূরত্ব কমানো সম্ভব। প্রতিদিনের ব্যস্ততার মধ্যে ১৫-২০ মিনিট একসঙ্গে চা খাওয়া, হাঁটতে বেরোনো কিংবা শুধুমাত্র দিনের অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলার মতো ছোট মুহূর্তও দাম্পত্য সম্পর্কে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

ইয়াশ ও রাধিকার সম্পর্কের ক্ষেত্রেও হয়তো সেই ছোট ছোট মুহূর্তই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তারকা জীবনের আলো, ব্যস্ততা এবং সাফল্যের বাইরে ব্যক্তিগত জীবনে কাছের মানুষকে সময় দেওয়াই শেষ পর্যন্ত সম্পর্ককে শক্তিশালী করে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শুধুমাত্র স্ত্রীকে ফলো করার বিষয়টি তাই নিছক একটি ডিজিটাল অভ্যাস হিসেবেও দেখা যেতে পারে। তবে ইয়াশের নিজের বক্তব্যে স্পষ্ট, তাঁর জীবনে রাধিকার জায়গা বিশেষ। আর সেই জায়গাটাই হয়তো তাঁদের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের সবচেয়ে বড় শক্তি।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Check Now
Ok, Go it!