মার্চের শুরুতেই উত্তপ্ত বঙ্গ, দক্ষিণে বাড়ছে তাপমাত্রা, উত্তরে বৃষ্টির সম্ভাবনা
নিজস্ব প্রতিবেদন ,নিউজ ইন্ডিয়া ডেস্ক: মার্চের শুরুতেই আবহাওয়ার চিত্রে স্পষ্ট পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে। দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে গরমের দাপট বাড়তে শুরু করেছে, অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের কিছু জেলায় হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।
আজ পশ্চিমবঙ্গের সামগ্রিক আবহাওয়া পরিস্থিতি বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। কলকাতার বর্তমান তাপমাত্রা প্রায় ২৯°C হলেও দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩°C পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। রাতের দিকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করবে ২১°C-এর আশেপাশে।
বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা বর্তমানে প্রায় ৫৪%। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা কমে ৪৮%-এর আশেপাশে নেমে আসতে পারে। দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় প্রায় ৪ থেকে ৫ মাইল বেগে বাতাস প্রবাহিত হচ্ছে।
আবহাওয়াবিদদের মতে, আগামী কয়েক দিনে দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রা আরও ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে। ফলে দোল বা হোলির আগেই ভ্যাপসা গরমের পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
দক্ষিণবঙ্গ যখন গরমে হাঁসফাঁস করছে, তখন উত্তরবঙ্গের চিত্র কিছুটা ভিন্ন। পূর্বাভাস অনুযায়ী, দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এছাড়া জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারের কিছু অংশেও ছিটেফোঁটা বৃষ্টি হতে পারে। তবে উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলায় আবহাওয়া মূলত শুষ্কই থাকবে। পাহাড়ি এলাকায় বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত থাকলেও সমতলে পারদ ঊর্ধ্বমুখী থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
আজকের দিনে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩°C পর্যন্ত অনুভূত হতে পারে এবং রাতের দিকে তা ২১°C পর্যন্ত নেমে আসতে পারে।
আকাশ মূলত পরিষ্কার ও রৌদ্রোজ্জ্বল থাকবে। বাতাস দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪ থেকে ৫ মাইল বেগে প্রবাহিত হচ্ছে। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৪৮% থেকে ৫৪%-এর মধ্যে থাকতে পারে।
আজ সূর্যালোকের তীব্রতা বা UV Index ৫ থেকে ৬-এর ঘরে থাকতে পারে, যা মাঝারি ঝুঁকির হিসেবে ধরা হয়। ফলে ত্বকের উপর এর প্রভাব পড়তে পারে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী- রোদে বের হলে ছাতা ব্যবহার করুন, সানগ্লাস ব্যবহার করুন, পর্যাপ্ত জল পান করুন, হালকা সুতির পোশাক পরুন। বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গের বাসিন্দাদের জন্য আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি এড়াতে এই সতর্কতা জরুরি।
সামগ্রিকভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম, মাত্র ১০%। তবে এই সম্ভাবনা মূলত উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকাগুলির জন্য প্রযোজ্য।

