মশা তাড়াতে কয়েল বা ধূপ! নিজের অজান্তে বাড়ছে মারাত্মক রোগের ঝুঁকি

NEWS INDIA বাংলা
0

নিজস্ব প্রতিবেদন,নিউজ ইন্ডিয়া:- মশার কামড়ে নাজেহাল প্রায় সবাই। শান্তির ঘুম নষ্ট করতে একটি কামড়ই যথেষ্ট। এই উপদ্রব থেকে রেহাই পেতে অনেকেই ঘরে ঘরে মশার ধূপ, কয়েল কিংবা তেল ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু জানেন কি, এই মশা নিধনকারী সামগ্রীই নীরবে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।

মশার কয়েল ও ধূপের স্বাস্থ্যঝুঁকি
মশার কয়েল ও ধূপের স্বাস্থ্যঝুঁকি

মশার ধূপ বা কয়েল থেকে যে ধোঁয়া বের হয়, তা শ্বাসযন্ত্রের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। চিকিৎসকদের মতে, গর্ভবতী মহিলা ও শিশুদের ক্ষেত্রে এই ধূপ বা কয়েলের ব্যবহার শারীরিক ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে তোলে। যাঁদের অ্যাজমা, সর্দি-কাশি বা শ্বাসকষ্টের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে এটি আরও বিপজ্জনক।

এছাড়া যাঁদের অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে, তাঁদের গলা ব্যথা, কাশি, চোখ জ্বালা, নাক বন্ধের মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। মশা মারার কয়েল ফুসফুসের ওপর সরাসরি ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলে।

মশা নিধনকারী তেলে পাইরেথ্রয়েড নামক রাসায়নিক থাকে এবং ধূপ বা কয়েলে থাকে কারসিনোজেনিক উপাদান, যা দীর্ঘমেয়াদে শরীরের জন্য ভয়ংকর।

এর ফলে মাথা ধরা, ঝিমুনি ভাব, শ্বাস নিতে অসুবিধা দেখা দিতে পারে। গবেষণায় জানা গেছে, একটি মশার কয়েল জ্বালানোর ধোঁয়া প্রায় ৫০টি সিগারেটের ধোঁয়ার সমান ক্ষতিকর। দীর্ঘদিন এই ধোঁয়ার সংস্পর্শে থাকলে ফুসফুসের ক্যানসারের মতো মারাত্মক রোগের আশঙ্কাও রয়েছে।

যাঁদের মাইগ্রেন বা মাথাব্যথার সমস্যা রয়েছে, তাঁদের জন্য এই গন্ধ অত্যন্ত ক্ষতিকর। এটি মানসিক চাপ বাড়াতে পারে এবং স্নায়বিক সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। মশার স্প্রেতে থাকা ট্রান্স-এলেথ্রিন নামক রাসায়নিক সিওপিডির মতো গুরুতর রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

 বিকল্প পদ্ধতিতে মশা দমন ↩️

 সন্ধ্যার আগে দরজা-জানালা বন্ধ রাখুন,

জানালায় জাল ব্যবহার করুন

পুদিনা, ল্যাভেন্ডার বা নিম গাছ লাগান

সরষের তেল, লবঙ্গ তেল, নিম তেল ও ইউক্যালিপ্টাস তেল মিশিয়ে প্রদীপ জ্বালান

নিয়মিত মশারি ব্যবহার করুন

ঘর ও আশপাশ পরিষ্কার রাখুন

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Check Now
Ok, Go it!