Srinagar Airport-এ Guidance Pole-এ ধাক্কা IndiGo বিমানের, নিরাপদ যাত্রী-ক্রু

NEWS INDIA বাংলা
0

 শ্রীনগর বিমানবন্দরে Guidance Pole-এ ধাক্কা IndiGo বিমানের, অল্পের জন্য রক্ষা যাত্রীরা

শ্রীনগর বিমানবন্দরে IndiGo বিমানের সঙ্গে ধাক্কা Guidance Pole-এর, নিরাপদে যাত্রী-ক্রু

Srinagar Airport-এ Guidance Pole-এ ধাক্কা খাওয়া IndiGo বিমানের প্রতীকী ছবি


শ্রীনগর বিমানবন্দরে (Srinagar Airport) একটি IndiGo বিমানের সঙ্গে গাইডেন্স পোলের (Guidance Pole) ধাক্কাকে ঘিরে সাময়িক চাঞ্চল্য ছড়াল। বিমানবন্দর চত্বরে বিমানটি মাটিতে চলাচল করার সময় এই ঘটনা ঘটে। তবে দুর্ঘটনায় বিমানের কোনও যাত্রী বা ক্রু সদস্য আহত হননি বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার পর বিমানটির নিরাপত্তা পরীক্ষা করা হয় এবং বিমান পরিষেবা স্বাভাবিক রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, নির্ধারিত এলাকায় বিমানটির মুভমেন্টের (Aircraft Movement) সময় সেটি একটি গাইডেন্স পোলের সংস্পর্শে আসে। বিমানবন্দরে পার্কিং, মাটিতে বিমান চলাচল এবং নির্দিষ্ট অবস্থানে বিমানকে পরিচালনার ক্ষেত্রে এই ধরনের পোল ও গাইডেন্স ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়। বিমানের সঙ্গে পোলের ধাক্কা লাগার পর সংশ্লিষ্ট গ্রাউন্ড স্টাফ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন।

ঘটনার পর বিমানের নিরাপত্তার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়। যাত্রী এবং ক্রুদের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিমানের বিভিন্ন অংশ পরীক্ষা করা হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা বিপদের কোনও খবর পাওয়া যায়নি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে যাত্রীদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হলেও পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে।

বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে রানওয়ে বা আকাশে উড়ানের পাশাপাশি মাটিতে বিমানের চলাচলও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ট্যাক্সিওয়ে (Taxiway), পার্কিং বে (Parking Bay) কিংবা নির্ধারিত মুভমেন্ট এলাকায় বিমানকে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে পরিচালনা করতে হয়। এই সময় কোনও স্থাপনার সঙ্গে বিমানের সংস্পর্শ ঘটলে সেটিকে গুরুত্ব দিয়ে পরীক্ষা করা হয়। কারণ সামান্য সংঘর্ষের ফলেও বিমানের কোনও গুরুত্বপূর্ণ অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

এই ঘটনায় ঠিক কীভাবে বিমানটি গাইডেন্স পোলের কাছে পৌঁছল এবং সংঘর্ষের কারণ কী ছিল, তা খতিয়ে দেখা হতে পারে। গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং (Ground Handling) প্রক্রিয়ায় কোনও ভুল হয়েছিল কি না, বিমান পরিচালনার সময় পর্যাপ্ত গাইডেন্স ছিল কি না অথবা অন্য কোনও প্রযুক্তিগত বা মানবিক কারণ কাজ করেছিল কি না, সেগুলিও তদন্তের আওতায় আসতে পারে।

বিমানের কোনও অংশে ক্ষয়ক্ষতি হয়ে থাকলে তার মাত্রা কতটা এবং পরবর্তী উড়ানের জন্য বিমানটি নিরাপদ কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সাধারণত এই ধরনের ঘটনার পর বিমানকে পরবর্তী পরিষেবায় পাঠানোর আগে প্রয়োজনীয় পরিদর্শন ও নিরাপত্তা যাচাই করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরীক্ষার পরই বিমানের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া সম্ভব।

শ্রীনগর বিমানবন্দর কাশ্মীর উপত্যকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিমান যোগাযোগ কেন্দ্র। প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক যাত্রী এই বিমানবন্দর ব্যবহার করেন। ফলে বিমানবন্দরের ভিতরে কোনও ধরনের ঘটনা ঘটলে তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে এই ঘটনায় কোনও যাত্রী বা ক্রু আহত না হওয়ায় বড় ধরনের হতাহতের পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।

ঘটনার পর বিমান পরিষেবা সচল রাখার চেষ্টা করা হয়েছে এবং বড় ধরনের পরিষেবা বিঘ্নের খবরও পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং বিমানের ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে চূড়ান্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থা ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত পরিদর্শনের পরই স্পষ্ট হবে।

মাটিতে বিমান চলাচলের সময় ছোটখাটো সংঘর্ষকেও বিমান নিরাপত্তার ক্ষেত্রে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়। কারণ এই ধরনের ঘটনার কারণ বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যতে একই ধরনের ঝুঁকি কমানোর ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব। ফলে শ্রীনগর বিমানবন্দরের এই ঘটনাতেও গ্রাউন্ড অপারেশন, নিরাপত্তা প্রোটোকল এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীদের কার্যপ্রণালী খতিয়ে দেখা হতে পারে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Check Now
Ok, Go it!