Food Safety Crackdown India: ভেজাল ও ভুল লেবেলিংয়ে কড়া নজর, প্রায় ৮ হাজার লাইসেন্স বাতিলের তথ্য সামনে

NEWS INDIA বাংলা
0

 দেশজুড়ে Food Safety Crackdown, প্রায় ৮ হাজার লাইসেন্স বাতিল! ভেজাল-ভুল লেবেলিংয়ে কড়া নজরদারি

খাবারের প্যাকেটে এবার কড়া নজর! ভেজাল ও ভুল লেবেলিং রুখতে দেশজুড়ে বড়সড় Food Safety অভিযান

ভারতে খাদ্য নিরাপত্তা অভিযানে FSSAI আধিকারিকদের খাবারের নমুনা পরীক্ষা ও packaged food-এর লেবেল পরিদর্শনের প্রতীকী ছবি


ভারতে খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে নজরদারি ও enforcement আরও জোরদার হয়েছে। রেস্তোরাঁ, খাবারের দোকান থেকে শুরু করে packaged food industry—বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিদর্শন, অভিযান, নমুনা পরীক্ষা এবং লাইসেন্স সংক্রান্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ৮ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত Reuters-এর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, গত কয়েক বছরে খাদ্য নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে প্রায় ৮,০০০ food business licence বাতিল করা হয়েছে। একইসঙ্গে সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সাল থেকে প্রতি বছর এক লক্ষেরও বেশি খাদ্য নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে এবং প্রায় পাঁচটির মধ্যে একটি নমুনা unsafe, substandard অথবা সঠিকভাবে labelled নয় বলে ধরা পড়েছে।

খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রক Food Safety and Standards Authority of India (FSSAI) এবং বিভিন্ন রাজ্যের প্রশাসনের নজরে এখন শুধু ভেজাল নয়, hygiene, storage, licensing এবং labelling-ও রয়েছে। Reuters-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যের তারিখ বদলে দেওয়া, প্যাকেটের তথ্য নিয়ে কারচুপি এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে না দেওয়ার মতো অভিযোগও সামনে এসেছে। মুম্বইয়ের একটি warehouse-এ অভিযানের সময় falsified food labels উদ্ধারের ঘটনাও এই enforcement drive-এর গুরুত্ব বাড়িয়েছে। সেখানে export-এর জন্য রাখা পণ্য নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল।

এই পরিস্থিতিতে misleading labelling বা বিভ্রান্তিকর লেবেলিং বড় বিষয় হয়ে উঠেছে। কোনও খাবারে কী উপাদান রয়েছে, তার nutritional information কী, মেয়াদ কতদিন—এই তথ্য ভোক্তার কাছে স্পষ্ট থাকা খাদ্য নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ফলে শুধু পণ্য উৎপাদন নয়, warehouse, distribution এবং retail পর্যায়েও নজরদারি বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা সামনে এসেছে।

খাদ্য নিরাপত্তার পাশাপাশি packaged food-এর front-of-pack warning label নিয়েও নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় অতিরিক্ত added sugar, salt এবং saturated fat থাকা খাবারের ক্ষেত্রে প্যাকেটের সামনের দিকে সহজে চোখে পড়ার মতো সতর্কতামূলক তথ্য দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু এই প্রস্তাব নিয়ে food industry এবং health activists—দুই পক্ষেরই আপত্তি রয়েছে, যদিও আপত্তির কারণ এক নয়। শিল্পমহলের বক্তব্য, নির্ধারিত threshold অত্যন্ত কঠোর হতে পারে। অন্যদিকে স্বাস্থ্যকর্মী ও activists-দের অভিযোগ, বর্তমান প্রস্তাবে এমন কিছু সীমা রয়েছে যার ফলে কিছু অস্বাস্থ্যকর পণ্য warning label এড়িয়ে যেতে পারে। বিষয়টি নিয়ে Supreme Court-এ আইনি চ্যালেঞ্জও হয়েছে।

FSSAI-এর সরকারি নথি অনুযায়ী, Food Safety and Standards (Labelling and Display) Regulations, 2020-এ ২০২১, ২০২২, ২০২৫ এবং ২০২৬ সালে একাধিক amendment হয়েছে। ২৪ মার্চ ২০২৬-এর First Amendment Regulations-এর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু পরিবর্তন ১ জুলাই ২০২৭ থেকে কার্যকর হওয়ার কথা বলা হয়েছে। তাই বর্তমানে কার্যকর নিয়ম এবং ভবিষ্যতে কার্যকর হতে চলা পরিবর্তন—দুটিকে আলাদা করে দেখা জরুরি।

রাজ্যস্তরেও enforcement-এর উদাহরণ দেখা যাচ্ছে। মহারাষ্ট্রে food safety commissioner Tukaram Mundhe-র নেতৃত্বে কয়েক হাজার raid চালানো হয়েছে বলে Reuters জানিয়েছে। রেস্তোরাঁ, street food outlet এবং বড় food chains—বিভিন্ন ধরনের ব্যবসাই এই নজরদারির আওতায় এসেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, food safety নিশ্চিত করতে শুধু অভিযান বা লাইসেন্স বাতিল করলেই হবে না। উৎপাদন, পরিবহণ, storage, retail এবং দ্রুত বাড়তে থাকা quick-commerce delivery network—প্রতিটি স্তরে কার্যকর monitoring প্রয়োজন। একইসঙ্গে ভোক্তাদেরও কেনাকাটার আগে expiry date, ingredients, nutritional information এবং FSSAI সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করার বিষয়ে সচেতন হওয়া জরুরি।

সব মিলিয়ে, ভারতের খাদ্য বাজারে safety, hygiene এবং labelling compliance এখন আরও বড় regulatory priority হয়ে উঠছে। আগামী দিনে অভিযান কতটা ধারাবাহিক হয় এবং proposed warning-label system কীভাবে বাস্তবায়িত হয়, তার উপরই এই enforcement drive-এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব অনেকটাই নির্ভর করবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Check Now
Ok, Go it!