গ্যাসের দাম বাড়তেই রাস্তায় কমছে এলপিজি অটো হাড়োয়া রোডে সমস্যায় চালকরা
নিজস্ব প্রতিবেদন, নিউজ ইন্ডিয়া ডেস্ক:মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব ধীরে ধীরে পড়তে শুরু করেছে জ্বালানি বাজারে। এর জেরে এলপিজি ও সিএনজি গ্যাসের জোগানে প্রভাব পড়ায় দামও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। আর তার সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম অটো পরিষেবায়।
উত্তর ২৪ পরগনার Basirhat মহকুমার বিভিন্ন এলাকায় ইতিমধ্যেই এই পরিবর্তনের চিত্র ধরা পড়েছে। বিশেষ করে Haroa Road স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় এলপিজি চালিত অটোর সংখ্যা চোখে পড়ার মতো কমে গেছে।
স্থানীয়দের দাবি, আগে যেখানে রাস্তায় একের পর এক এলপিজি চালিত অটো দেখা যেত, এখন সেই সংখ্যা অনেকটাই কমে গেছে।
হাড়োয়া রোড স্টেশন এলাকার এক অটোচালক জানান, আগে এই এলাকায় এলপিজি চালিত অটোর সংখ্যা ছিল প্রায় ৪০ থেকে ৪১টি। বর্তমানে সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২০ থেকে ২২টিতে। বাড়তি খরচের চাপই এর প্রধান কারণ বলে জানাচ্ছেন চালকরা।
অটোচালকদের দাবি, আগে প্রতি লিটার এলপিজি গ্যাসের দাম ছিল প্রায় ৭০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে। কিন্তু বর্তমানে সেই দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১০ থেকে ১২০ টাকায়। ফলে প্রতিদিনের আয়ের তুলনায় খরচ অনেকটাই বেড়ে যাচ্ছে।
এই বাড়তি খরচের চাপ সামলাতে গিয়ে অনেক চালকই নিয়মিত গাড়ি রাস্তায় নামাতে পারছেন না বলে জানান। ফলে এলাকায় এলপিজি অটোর সংখ্যা কমে যাচ্ছে।
অন্যদিকে এলপিজি অটো কমে যাওয়ার কারণে এখন তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যাচ্ছে টোটো ও ডিজেল চালিত অটো। যাত্রীরাও বিকল্প হিসেবে ধীরে ধীরে টোটো বা ডিজেল অটোর দিকে ঝুঁকছেন।
এর ফলে টোটো চালকদের ব্যবসা আগের তুলনায় কিছুটা হলেও বেড়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
তবে বাড়তি খরচ সামাল দিতে অনেক অটোচালকই ভাড়া বাড়ানোর কথা ভাবছেন। কিন্তু ভাড়া বাড়ালে যাত্রীরা এলপিজি চালিত অটো ব্যবহার করবেন কি না, তা নিয়ে বড় দুশ্চিন্তায় রয়েছেন চালকরা।
বর্তমান পরিস্থিতিতে কীভাবে এই সমস্যার সমাধান হবে, সেই দিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছেন অটোচালক এবং যাত্রীরা।

