তারেক রহমানের শপথে মোদীকে আমন্ত্রণের সম্ভাবনা, নজরে দক্ষিণ এশিয়া কূটনীতি

NEWS INDIA বাংলা
0

 তারেক রহমানের সম্ভাব্য শপথ, আমন্ত্রণ পেতে পারেন মোদী — নতুন সম্পর্কের ইঙ্গিত?

তারেক রহমানের সম্ভাব্য শপথ ও মোদীর আমন্ত্রণ নিয়ে কূটনৈতিক আলোচনা (Bangladesh PM Swearing-in News)

নিজস্ব প্রতিবেদন, নিউজ ইন্ডিয়া ডেস্ক: বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের সাক্ষী হতে পারে বিশ্ব। বিএনপি (BNP) নেতা তারেক রহমান আগামী সোমবার অথবা মঙ্গলবারের মধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা চলছে।

যদি এই শপথ অনুষ্ঠান বাস্তবে রূপ পায়, তাহলে সেটি শুধু বাংলাদেশের রাজনীতির ক্ষেত্রেই নয়, বরং সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক সমীকরণেও বড় পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে। বিশেষ করে এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে (Narendra Modi) আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে — এমন সম্ভাবনার কথা উঠে আসতেই আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে আগ্রহ বেড়েছে।

সূত্রের দাবি, বিএনপি নেতৃত্ব ভারতের পাশাপাশি প্রতিবেশী অন্যান্য দেশের রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকার প্রধানদেরও আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা করছে। এর ফলে এই শপথ অনুষ্ঠান কেবল একটি রাজনৈতিক আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং একটি আন্তর্জাতিক বার্তা বহনকারী মঞ্চে পরিণত হতে পারে।

এর মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত মিলেছে দিল্লির তরফ থেকেও। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইতিমধ্যেই তারেক রহমানের সঙ্গে ফোনালাপে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। পরে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে মোদী জানান, বাংলাদেশের নির্বাচনে অসাধারণ জয়ের জন্য তিনি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং বাংলাদেশের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে তাঁর প্রচেষ্টার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

মোদীর বক্তব্যে আরও স্পষ্ট করে বলা হয়, ভারত ও বাংলাদেশ ঐতিহাসিকভাবে ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী এবং দুই দেশের শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ফোনালাপ শুধুমাত্র সৌজন্য বিনিময় নয়। বরং এটি দুই দেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের একটি সম্ভাব্য রূপরেখা তৈরি করছে। তারেক রহমানের সম্ভাব্য শপথ অনুষ্ঠানে মোদীর উপস্থিতি হলে তা হবে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হাসিনা-পরবর্তী বাংলাদেশে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক কেমন হবে তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জল্পনা ছিল। তবে সাম্প্রতিক বার্তালাপ এবং সম্ভাব্য আমন্ত্রণের পরিকল্পনা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে নতুন প্রশাসনও সুসম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী।

দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত ভারসাম্যের ক্ষেত্রে এই সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সীমান্ত নিরাপত্তা, বাণিজ্য, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও অবকাঠামো উন্নয়ন — সব ক্ষেত্রেই ভারত-বাংলাদেশ সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এখন দেখার বিষয়, কূটনৈতিক এই উদ্যোগ বাস্তবে কতটা সফল হয়। তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশ কি ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখবে? নাকি নতুন সমীকরণ তৈরি হবে?

সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে আসন্ন শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করেই।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Check Now
Ok, Go it!