নিজস্ব প্রতিবেদন, নিউজ ইন্ডিয়া ডেস্ক:কোচবিহারে মাদককাণ্ডকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়াল। সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ সিতাই ১ নম্বর মণ্ডল বিজেপি সভাপতি সুকুমার বর্মনকে গ্রেফতার করেছে। বৃহস্পতিবার রাতের এই গ্রেফতারিকে কেন্দ্র করে জেলা রাজনীতিতে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধৃত নেতার কাছ থেকে ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। সেই ভিত্তিতেই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।
এই গ্রেফতারিকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।
সুকুমার বর্মনের পরিবারের দাবি, গোটা ঘটনার পিছনে রয়েছে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। তাদের অভিযোগ, স্থানীয় সাংসদের নির্দেশে পুলিশ ফাঁকা রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়েছে।
পরিবারের বক্তব্য,
“যদি সত্যিই মাদক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকতেন, তাহলে আমাদের বাড়ির এই ভাঙাচোরা অবস্থা থাকত না।”
অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়া সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ঘটনার সময় তিনি দিল্লিতে ছিলেন।
তার দাবি, অভিযুক্ত নেতার বিরুদ্ধে আগে থেকেই অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ ছিল।
এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে দ্বন্দ্ব আরও তীব্র হয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে এই গ্রেফতারিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে।
তবে পুলিশ জানিয়েছে, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতেই এই মামলা রুজু করা হয়েছে। তদন্ত প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে এবং আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বর্তমানে ধৃত বিজেপি নেতাকে আদালতে তোলার প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনাকে ঘিরে কোচবিহারের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।
এই গ্রেফতারি আইন প্রয়োগের ফল, নাকি রাজনৈতিক প্রতিশোধ—তা নিয়েই শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।

