প্রেমঘটিত সম্পর্কের জেরে ভোপালে খুন, সেপটিক ট্যাঙ্কে দেহ

NEWS INDIA বাংলা
0

ভোপালে সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে যুবতীর দেহ উদ্ধার, খুনের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদন ,নিউজ ইন্ডিয়া ডেস্ক :মধ্যপ্রদেশের ভোপালে প্রেমঘটিত সম্পর্কের জেরে নৃশংস খুনের ঘটনা সামনে এল। বৃহস্পতিবার নিশাতপুরা এলাকায় একটি সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে ৩৩ বছর বয়সী এক মহিলার পচাগলা দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

Bhopal septic tank murder case (ভোপাল খুনের ঘটনা)

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই দিন পাড়ার কয়েকজন শিশু খেলতে গিয়ে দুর্গন্ধ টের পায় এবং সেখানেই দেহটির সন্ধান মেলে। পরে পুলিশ এসে দেহটি উদ্ধার করে। মৃতার হাতে একটি ট্যাটু ছিল, যাতে লেখা ছিল— “২৬ মে, ১৯৯২”। সেই সূত্র ধরেই প্রাথমিকভাবে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।পুলিশ সুত্রে, মৃতার নাম আশরাফি। তবে পরিচিতদের কাছে তিনি ‘সিয়া’ নামেই পরিচিত ছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে সামাজিক মাধ্যমে সমীর নামে এক যুবকের সঙ্গে সিয়ার পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে যোগাযোগ বাড়তে থাকে এবং সময়ের সঙ্গে সম্পর্কও গভীর হয়।

পরিবারের দাবি, সেই সম্পর্কের টানেই প্রায় তিন মাস আগে সিয়া মহারাষ্ট্র থেকে একাই ভোপালে চলে আসেন।

ভোপালে পৌঁছে তিনি জানতে পারেন সমীর বিবাহিত এবং তার দুটি সন্তান রয়েছে। তবে এই তথ্য জানার পরেও তিনি ফিরে যাননি। বরং কমলা নগর এলাকায় থাকতে শুরু করেন।

এরপর থেকেই সমীরকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে শুরু করেন সিয়া। অভিযোগ, তিনি সমীরের কাছে ৫ লক্ষ টাকা দাবি করেছিলেন এবং তা না দিলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকিও দিয়েছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার সমীর ও সিয়ার মধ্যে তীব্র বিবাদ হয়। সেই বিবাদের জেরে সমীর সিয়াকে শ্বাসরোধ করে খুন করে বলে অভিযোগ।

ঘটনার পর অভিযুক্ত নিজের অপরাধ আড়াল করতে পরিবারের সহায়তা নেয়। অভিযোগ, দেহটি একটি লোহার বাক্সে ভরে ভোরের দিকে বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্কে ফেলে দেওয়া হয়।পরে দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করলে ঘটনাটি সামনে আসে।

পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযুক্তের মা, বোন ও ভাইকে আটক করেছে। তবে মূল অভিযুক্ত সমীর এখনও পলাতক। তাকে খুঁজে বের করতে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তদন্ত চলছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Check Now
Ok, Go it!