বাংলাদেশে ভোটের দিনেই উত্তেজনা, সংঘর্ষে মৃত্যু বিএনপি নেতার
নিজস্ব প্রতিবেদন: দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। সকাল ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোট চলবে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে। প্রায় ১২ কোটিরও বেশি ভোটার তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে লাইনে দাঁড়িয়েছেন। শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর এই নির্বাচনকে ঘিরে দেশজুড়ে বাড়তি নজরদারি ও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
এই নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP)-এর নেতৃত্বে রয়েছেন তারেক রহমান। দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর তিনিই সংগঠনের দায়িত্ব নেন এবং এবার তাঁর নেতৃত্বেই নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমেছে বিএনপি। প্রায় ৩০ বছর পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই নির্বাচনকে ঐতিহাসিক বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
নির্বাচনে মোট ৫০টি রাজনৈতিক দল অংশ নিয়েছে। নির্দল প্রার্থীদের মিলিয়ে মোট ১৭৫৫ জন প্রার্থী বিভিন্ন আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভোটকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় টানটান উত্তেজনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
এরই মধ্যে খুলনায় ভোটকেন্দ্রের বাইরে ধস্তাধস্তির ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে এক বিএনপি নেতার। মৃতের নাম মহিবুজ্জামান কচি (৬০)। অভিযোগ, প্রতিদ্বন্দ্বী দলের কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় গুরুতর আহত হন তিনি এবং ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করেছে।
এই ঘটনার ফলে নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের আশ্বাস দেওয়া হলেও সংঘর্ষের এই খবর পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে।

