বিস্ফোরণ ও উদ্ধারকাজ: বৃহস্পতিবার সকালে এই জোরালো বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের পরপরই খনি থেকে ঘন কালো ধোঁয়া বের হতে শুরু করে। বাইরে থাকা শ্রমিক ও তাদের পরিবারের সদস্যরা মুহূর্তের মধ্যে খনির মুখে ভিড় জমান। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে মেঘালয় পুলিশ, দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দল। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়েছে, তবে খনির ভিতরে ঠিক কতজন শ্রমিক আটকে আছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয় বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট বিকাশ কুমার। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
'র্যাট-হোল' খনির অবৈধ কার্যক্রম? প্রাথমিক তদন্তে জানা যাচ্ছে, খনির ভিতরেই বিস্ফোরণটি ঘটেছে। ঠিক কী কারণে এই বিস্ফোরণ তা এখনও স্পষ্ট নয়। কয়লা উত্তোলনের জন্য ব্যবহৃত বিস্ফোরকে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সাথে খনিটিতে অবৈধভাবে কয়লা উত্তোলনের কাজ চলছিল কিনা, সেই বিষয়টিও তদন্তের অধীনে রয়েছে। উল্লেখ্য, পরিবেশের ক্ষতি এবং শ্রমিকদের জীবনের ঝুঁকির কারণে ২০১৪ সালে ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল (NGT) মেঘালয়ে 'র্যাট-হোল' কয়লা খনির উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। 'র্যাট-হোল' খনিতে ৩-৪ ফুট সরু সুড়ঙ্গের মধ্যে শ্রমিকদের হামাগুড়ি দিয়ে কাজ করতে হয়, যা অত্যন্ত বিপদজনক এবং অমানবিক।
মেঘালয়ের এই রত-হোল মাইনিং নিষিদ্ধ হলেও, আজও এই অঞ্চলে বেআইনিভাবে এই কাজ চলে আসছে, যা বারবার এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনার জন্ম দিচ্ছে।

