নিজস্ব সংবাদদাতা, নিউজ ইন্ডিয়া:-শীতকাল মানেই হরেক রকমের খাওয়া-দাওয়া। খাদ্যরসিক বাঙালির কাছে এই সময়টি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। পৌষ মাসের শেষ দিন অর্থাৎ পৌষ সংক্রান্তিতে বাংলার ঘরে ঘরে তৈরি হয় পিঠে-পুলি। তবে বর্তমান যান্ত্রিক নির্ভর জীবনে অনেকেই আগের মতো বাড়িতে পিঠে-পুলি বানাতে পারেন না। সেই কারণেই বিগত কয়েক বছর ধরে কলকাতার পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন প্রান্তেও পৌষ পার্বণকে কেন্দ্র করে পিঠে-পুলি উৎসবের আয়োজন করা হচ্ছে।
![]() |
| নিজস্ব চিত্র |
মহাসমারোহে শুরু হয়ে গেল আসানসোল পিঠেপুলি উৎসব ২০২৬। বাঙালির রসনা তৃপ্তিতে হরেক রকমের পিঠের পসরা সাজিয়ে চারদিন ব্যাপী এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।
আসানসোল শিল্পাঞ্চলে শিল্পের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক মনোভাবাপন্ন মানুষের মিলনক্ষেত্র হয়ে উঠেছে মহিশিলা কলোনিতে অনুষ্ঠিত এই পিঠেপুলি উৎসব। মালপোয়া, পাটিসাপটা থেকে শুরু করে খেজুর গুড়ের পায়েস—সবকিছুই চেটেপুটে উপভোগ করছেন এলাকাবাসী। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নানা ধরনের পিঠে নিয়ে হাজির হয়েছেন বহু বিক্রেতা।
মেলায় আগত ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সুবিধার্থে নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনায় বিশেষ নজর রেখেছেন উদ্যোক্তারা। শুধু খাওয়া-দাওয়াই নয়, চারদিন ব্যাপী নানান সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও স্বাস্থ্য শিবিরের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
শীতের সন্ধ্যায় পিঠে-পুলির স্বাদ নিতে মহিশিলা কলোনির ক্ষুদিরাম স্ট্যাচু মাঠে ভিড় জমাচ্ছেন আপামর আসানসোলবাসী। পিঠে-পুলির স্বাদ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আনন্দে এক কথায় জমে উঠেছে মেলা প্রাঙ্গণ। উদ্যোক্তাদের এই উদ্যোগে খুশি ক্রেতা ও বিক্রেতা—সকলেই।

