"দের ঘন্টায় ৯ কাপ চা খেয়েছেন আর বাইরে বেরিয়ে টেবিল চাপড়ে ড্রামা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী" - দিলীপ ঘোষ

NEWS INDIA বাংলা
0

 ​মালদায় দিলীপ ঘোষের ‘চা-চক্রে’ আক্রমণ: মমতার দিল্লি সফরকে ‘শেয়ালের শহরে যাওয়া’র সঙ্গে তুলনা

মালদায় প্রাতঃভ্রমণের সময় সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বক্তব্য রাখছেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ।

নিজস্ব প্রতিবেদন, নিউজ ইন্ডিয়া ডেস্ক: ​মঙ্গলবার সকালে মালদার ইংরেজ বাজারে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে আবারও নিজের চেনা মেজাজে ধরা দিলেন প্রাক্তন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচন কমিশনের সাথে বৈঠক এবং এসআইআর (SIR) ইস্যু নিয়ে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তিনি। দিলীপ ঘোষের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী যা করছেন তা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক এবং একটি পরিকল্পিত ‘ড্রামা’ বা নাটক।

দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সাথে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, "মুখ্যমন্ত্রী দেড় ঘণ্টা ধরে মিটিং করেছেন, ৯ কাপ চা খেয়েছেন। আর বাইরে বেরিয়ে টেবিল চাপড়ে ড্রামা করছেন।" তাঁর প্রশ্ন, যদি কমিশনারের ব্যবহার অসংগতই হবে, তবে তিনি দেড় ঘণ্টা ধরে কেন বৈঠক করলেন? দিলীপ ঘোষের মতে, এসবই আসলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকার চেষ্টা, যার কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই।

মুখ্যমন্ত্রীর দিল্লি সফরকে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বলেন, "যখন সময় ঘনিয়ে আসে তখন শেয়াল শহরে যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সময়ও চলে এসেছে, তাই তিনি এসব করছেন।" তিনি দাবি করেন, তৃণমূলের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো স্বচ্ছ নির্বাচন আটকানোর জন্য SIR প্রক্রিয়া বন্ধ করা। কিন্তু বিহারে যেমন SIR পরবর্তী ভোটার তালিকায় কোনো গোলমাল হয়নি, বাংলাতেও হবে না।

এদিন পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকেও একহাত নেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, "পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ আর গুন্ডার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। তৃণমূল কর্মীদের ভয়ে পুলিশ লুকিয়ে বেড়ায়।" তাঁর অভিযোগ, দিল্লিতে গিয়ে পুলিশি নিরাপত্তা দেখে মুখ্যমন্ত্রী আতঙ্কিত বোধ করছেন কারণ রাজ্যে তিনি গুন্ডা-ডাকাত দিয়ে পরিবেষ্টিত থাকেন। সুপ্রিম কোর্ট SIR নিয়ে যে কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থার নির্দেশ দিয়েছিল, রাজ্যে তা কার্যকর করা হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আগামী নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে দিলীপ ঘোষের দাবি, জনগন এবার ‘দেশ শুদ্ধকরণ’ শুরু করেছে। পশ্চিমবঙ্গে মমতার উইকেট পড়ে গেলে সারা ভারতে আর কোনো বিরোধী দল থাকবে না। তাঁর মতে, মমতার কর্মকাণ্ডই প্রমাণ করছে যে নির্বাচনের পর তাঁর রাজনীতি থেকে বিদায় নেওয়ার সময় হয়েছে। বাংলায় প্রকৃত পরিবর্তনের মাধ্যমেই এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে বলে তিনি মনে করেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Check Now
Ok, Go it!